ইউএনওকে ‘আপা’ ডাকায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

প্রকাশিতঃ জুন ৪, ২০২৬ | ৮:৪৭ পূর্বাহ্ণ

কুষ্টিয়া টাইম :সিলেটের ওসমানীনগরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) আপা ডেকে ক্ষমা চাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে এক অভিজাত মিষ্টির শো-রুম কর্মচারীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করার খবর পাওয়া গেছে। অন্যদিকে মিষ্টির শো-রুমে জরিমানা করায় ওই কর্মচারীকে চাকরি থেকে বহিষ্কার করা হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় সংসদ সদস্যের হস্তক্ষেপে তার চাকরি বহাল রাখা হলেও তাকে শো-রুম থেকে কারখানায় স্থানান্তর করা হয়েছে। বালাগঞ্জের ইউএনও তাজপুর বাজারস্থ বনফুল শো-রুম থেকে মিষ্টি কিনে নেন। বাসায় নেওয়ার পর তিনি দেখতে পান মিষ্টিগুলো পুরাতন। পরে বিষয়টি তিনি ওসমানীনগরের ইউএনওকে জানান। ঈদের পরদিন শুক্রবার বিকেলে ওসমানীনগর ইউএনও একা সাধারণ ক্রেতা হিসেবে তাজপুর বাজারের বনফুল শো-রুমে যান। এ সময় তিনি কর্মচারী মান্নানকে জিজ্ঞেস করেন, এই মিষ্টিগুলো কি নতুন? কর্মচারী মান্নান জানান, ড্রাই মিষ্টিগুলো ঈদের আগের এবং নরমাল মিষ্টিগুলো আজকের। এরপর ইউএনও বলেন, তোমরা মানুষকে বাসি মিষ্টি দাও, আমার কাছে অভিযোগ আছে। তখন কর্মচারী মান্নান বিষয়টি ম্যানেজারকে জানাতে বলেন। এতে তাৎক্ষণিকভাবে ইউএনও উত্তেজিত হয়ে বলেন, ‘তুমি বেয়াদবি করছো, চেনো আমি কে? আমি ইউএনও, আমি তোমাকে জেলে দেবো!’ এ কথা শুনে কর্মচারী মান্নান ভয়ে শো-রুম থেকে চলে যান। পরে শো-রুমের প্রধান ম্যানেজার সুহেল বড়ুয়া এসে বিষয়টি জেনে ইউএনওকে শান্ত করেন এবং কর্মচারী মান্নানকে আনতে বাসায় লোক পাঠান। বাসায় গিয়ে দেখা যায়, তিনি মসজিদে নামাজে গেছেন। পরে তাকে মসজিদে খবর পাঠানো হয়। এ সময় সহকারী ম্যানেজার ক্যাশ টেবিলে চেয়ারে বসে কথা বলছিলেন। তখন ইউএনও রেগে গিয়ে প্রধান ম্যানেজারকে বলেন, ‘এইটাও বেয়াদব, চেয়ারে বসে কথা বলছে।’ এরপর ম্যানেজার ইউএনওর কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন। পরে কর্মচারী মান্নানকে আনা হলে ম্যানেজার তাকে ইউএনওর কাছে ক্ষমা চাইতে বলেন। মান্নান তখন বলেন,‘ আপা, ভুল হয়েছে, আমাকে মাফ করে দেন।’ এতে ইউএনও আরও ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশ ডেকে মান্নানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। বিষয়টি বনফুল কর্তৃপক্ষ জানার পর মান্নানকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। সোমবার দুপুরে স্থানীয় সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর লুনা উপজেলা পরিষদে এলে কর্মচারী মান্নান তার দ্বারস্থ হন। পরে এমপি লুনা তার চাকরি বহাল রাখতে স্থানীয় বিএনপির দুই নেতাকে বনফুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের দায়িত্ব দেন। বর্তমানে মান্নানকে সিলেট নগরীর খাদিম বিসিক শিল্প এলাকায় বনফুলের কারখানায় বদলি করা হয়েছে। বনফুল শো-রুম কর্মচারী মান্নান জানান, তিনি সাধারণ ক্রেতা হিসেবে শো-রুমে এসে মিষ্টিগুলো বাসি কি না জানতে চান। তখন তিনি বলেন, ড্রাই মিষ্টি এক-দুই দিন আগের এবং নরমাল মিষ্টি নতুন। পরে ইউএনও অভিযোগ করেন, বাসি মিষ্টি দেওয়া হয়েছে এবং তার কাছে আরও অভিযোগ রয়েছে। এরপর তিনি ক্যাশে ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলতে বলেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ইউএনও তাকে জেল দেওয়ার হুমকি দেন। পরে তিনি ভয়ে পালিয়ে যান। পরে ম্যানেজারের নির্দেশে ক্ষমা চাইতে গিয়ে তিনি ‘আপা আমাকে ক্ষমা করে দেন বলেন। এতে ইউএনও আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন বলে দাবি করেন তিনি। ম্যানেজার সুহেল বড়ুয়া বলেন, কর্মচারী মান্নান ইউএনওকে না চিনে গুরুত্ব দেয়নি। তাই তাকে ক্ষমা চাইতে বলা হয়। পরে তিনি ‘আপা ক্ষমা করে দেন’ বলেন। এরপরই ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তিনি আরও বলেন, বাসি মিষ্টি বিক্রি বিষয়ে অভিযোগ প্রসঙ্গে, ড্রাই মিষ্টি এক-দুই দিন আগের থাকতে পারে এবং নরমাল মিষ্টি সাধারণত নতুন থাকে। গরমে কোনো পণ্য নষ্ট হলে তা সঙ্গে সঙ্গে আলাদা করে দেওয়া হয়। ওসমানীনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস টি এম ফখর উদ্দিন বলেন, ভুক্তভোগী ব্যক্তি বিষয়টি নিয়ে সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর লুনার কাছে গিয়েছিলেন। এমপি উভয়পক্ষের বক্তব্য শুনেছেন। তবে ঘটনার বিস্তারিত জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা প্রয়োজন। বালাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান বলেন, ‘আমি বা আমার কোনো স্টাফ হয়তো মিষ্টি কিনতে পারি। ওসমানীনগর ইউএনও আমার সহকর্মী। তিনি আপা ডাকার জন্য জরিমানা করতে পারেন না। হয়তো ক্রেতা হিসেবে গিয়ে কোনো সমস্যা পেয়ে জরিমানা করেছেন। বিচারকার্য পরিচালনার সময় পক্ষপাত এড়াতে ইউএনও বলাই ভালো।’ এ বিষয়ে ওসমানীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনমুন নাহার আশার সরকারি মোবাইল নম্বরে, হোয়াটসঅ্যাপে ও টেলিফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এ বিষয়ে সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম বলেন, ‘বিষয়টি সম্পর্কে জানা নেই। জেনে বলতে হবে।’ সিলেটের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আশরাফুর রহমান বলেন, ‘এ বিষয়ে জানি না। তিনি কেন এটি করেছেন, সেটি জানতে হবে।’

কুষ্টিয়ায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, সেনাসদস্য সহ আহত ৬০

প্রকাশিতঃ মে ৩১, ২০২৬ | ৩:৩৪ অপরাহ্ণ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:কুষ্টিয়ার মিরপুরে সেনাসদস্যদের বহনকারী বাসের সঙ্গে যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক বাসযাত্রী নিহত হয়েছেন। এতে সেনা সদস্যসহ অন্তত ৬০ জন আহত হয়েছেন। নিহত বাসযাত্রীর নাম জিয়া বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তিনি ব্র্যাক ব্যাংকে চাকরি করেন। তার বাড়ি ময়মনসিংহ জেলায়। রোববার (৩১ মে) দুপুর ১২টার দিকে পাবনা-কুষ্টিয়া মহাসড়কে উপজেলার তালবাড়িয়া হাইস্কুলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী পুলিশ ও আহতরা জানান, একটি ভাড়া করা বাসে প্রশিক্ষণরত সেনাসদস্যরা বগুড়া থেকে খুলনা যাচ্ছিলেন। ঘটনাস্থলে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা হিমেল পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে সেনাসদস্যদের বহনকারী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এরপর স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে দুর্ঘটনায় আহতদের কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে আহত একজনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নিহতের নাম জিয়া। তার বাড়ি ময়মনসিংহ জেলায়। তিনি ব্র্যাক ব্যাংকে চাকরি করেন। আহত সেনা সদস্যরা জানান, তারা বর্তমানে সেনাবাহিনীতে প্রশিক্ষণরত অবস্থায় রয়েছেন। ঈদুল আযহার ছুটিতে তারা বাড়িতে গিয়েছিলেন। ছুটি শেষে তারা একটি ভাড়া করা বাসে করে খুলনার জাহানাবাদ সেনানিবাসে ফিরছিলেন। ওই বাসে তারা মোট ৪২ জন সেনাসদস্য ছিলেন। পথে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তাদের বহনকারী বাস। এতে তারা কমবেশি সবাই আহত হয়েছেন। সেনা সদস্যদের অন্তত ১০ জনকে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কেউ কেউ প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। খবর পেয়ে আহতদের কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে দেখতে যান কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার (এসপি) জসীম উদ্দীন। তিনি এসময় জানান, সেনাসদস্যরা নতুন রিক্রুট, তারা প্রশিক্ষণে রয়েছেন। দুর্ঘটনার বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

ভেড়ামারায় অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অপরাধে এসবিও হানিফ পরিবহনকে জরিমানা

প্রকাশিতঃ মে ৩০, ২০২৬ | ৮:৩৪ অপরাহ্ণ

কুষ্টিয়া টাইম :ভেড়ামারা থেকে ঢাকা যাত্রীবাহী বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অপরাধে দু\'টি পরিবহনকে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। শনিবার (৩০ মে\'২৬) দুপুর ১ ঘটিকার সময় ভেড়ামারা কোচ স্ট্যান্ড এলাকায় বিভিন্ন কাউন্টারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: আমিরুল আরাফাত মহোদয় অভিযান পরিচালনা করেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, অভিযানে এসবি কাউন্টারকে ৫ হাজার ও হানিফ কাউন্টারকে ৫ হাজার করে মোট দু\'টি পরিবহনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগে সড়ক পরিবহন আইন এ জরিমানা আদায় করা হয়। ইউএনও মো: আমিরুল আরাফাত জানান, যাত্রীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কোনো সুযোগ নেই। ভোক্তা অধিকার ও আইন রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। কেউ অনিয়ম করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কুষ্টিয়া থেকে ঢাকায় গরু বিক্রি করতে গিয়ে নিখোঁজ মফের সন্ধান চাই পরিবার

প্রকাশিতঃ মে ২৭, ২০২৬ | ৮:৩৭ পূর্বাহ্ণ

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীর গাবতলী পশুরহাটে কুষ্টিয়া থেকে গরু বিক্রি করতে গিয়ে ছিলেন কুমারখালী উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের উত্তর মীরপুর এলাকার ব্যবসায়ী মো.মোফাজ্জল হোসেন(মফে)। আজ ভোরে তিনি গাবতলী পশুর হাট থেকে নিখোঁজ হয়েছেন। হাটে মাংকি ও বিভিন্ন স্থানে খোজাখুজি করেও তার সন্ধান পাওয়া যাইনি। যদি কেও চিনে থাকেন এই নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হইলো। 01766-368864 শিমুল।

কুষ্টিয়ায় ভেড়ামারা শিশু ধর্ষণের অভিযোগে নানাকে গণপিটুনির পর পুলিশে দিল জনতা

প্রকাশিতঃ মে ২৬, ২০২৬ | ৫:০১ অপরাহ্ণ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি : জেলার ভেড়ামারা উপজেলায় ১২ বছর বয়সি এক শিশুকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে তার সৎ নানার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সৎ নানা সাহাবুল হোসেনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা। মঙ্গলবার (২৬ মে) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার নওদাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটি আগের দিন রাতে নানির বাড়িতে বেড়াতে আসে। সকালে সৎ নানা সাহাবুল হোসেন পা টিপে দেওয়ার কথা বলে শিশুটিকে নিজ ঘরে ডেকে নেন। সেখানে তিনি শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে শিশুটি কান্নাকাটি করতে করতে ঘর থেকে বের হলে বিষয়টি পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের নজরে আসে। খবর পেয়ে এলাকাবাসী অভিযুক্তকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। ভেড়ামারা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে হেফাজতে নেয়। এ বিষয়ে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেলোয়ার হোসেন জানান, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। অভিযুক্তকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং ঘটনাটি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হবে।

ভেড়ামারায় অসহায় দুস্থ ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে খাদ্য উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন শিশু তাহমিদ ফাউন্ডেশন

প্রকাশিতঃ মে ২৬, ২০২৬ | ১২:২০ অপরাহ্ণ

ভেড়ামারা প্রতিনিধি :এতিম শিশু ও অসহায় দুস্থ মানুষের মাঝে ঈদের খাদ্য সামগ্রী উপহার হিসাবে হাতে পেয়ে হাসি ফুটলো কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার এতিম শিশু আর হতদরিদ্র মানুষের। মহতি ও বর্ণাঢ্য এই আয়োজন করেছে সামাজিক ও মানবকল্যানমুলক প্রতিষ্ঠান শিশু তাহমিদ ফাউন্ডেশন। আজ মঙ্গলবার সকালে ভেড়ামারা সরকারী পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে এ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্টানে অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রীসহ হতদরিদ্র পরিবারের হাতে নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়। ঈদের খাদ্য সামগ্রী হিসাবে চাউল, ডাউল, তেল, চিনি, সেমাই, ডিটারজেন্ট পাউডার ও দুধ’র প্যাকেট ইত্যাদি উপহার হিসাবে দেওয়া হয়। শিশু তাহমিদ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও ভেড়ামারা বিনামূল্যে চিকিৎসালয়ের সভাপতি সাংবাদিক শাহ্ জামাল’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুষ্টিয়া জেলা শাখার প্রশিক্ষণ সেক্রেটারি ড. নুরুল আমিন জসিম। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট লেখক গবেষক আলহেরা মডেল একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব হাসানুজ্জামান খসরু, ভেড়ামারা পৌরসভা নির্বাচনে জামায়াত ইসলামী মনোনীত মেয়র প্রার্থী আলহাজ¦ মোলায়েম হোসেন, রেল বাজার বনিক সমিতির সাধারন সম্পাদক শামীম রেজা শামীম প্রমূখ। শিশু তাহমিদ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সাংবাদিক শাহ্ জামাল বলেন, ২০১৫ সাল থেকে নিয়মিত ভাবে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করে আসছে। ২০২৪ সালের ২৯ অক্টোবর সামাজিক ও মানবকল্যানমুলক এই প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্টার পর থেকেই এতিম শিশু এবং দুস্থ মানুষের কল্যানে কাজ করছে। তিনি বলেন, এই সংগঠনের মাধ্যমে সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্টি কে আত্ম সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ঋন দেওয়া, এতিম শিশুদের পূর্নবাসন করা, গর্ভবতী মায়েদের চিকিৎসা সহায়তায় নগদ অর্থ দেওয়া এবং কর্যে হাসানা চালু করনই মূল উদ্দ্যেশ। ইতোমধ্যে ভেড়ামারার দারিদ্র শ্রেনীর মানুষ এই সুফল পাওয়া শুরু করেছে।

ভেড়ামারায় পদ্মায় অবৈধভাবে ফিলিং বালু উত্তোলন রোধে অভিযান: ট্রলি ও সরঞ্জাম জব্দ

প্রকাশিতঃ মে ২৫, ২০২৬ | ৭:৫৫ অপরাহ্ণ

ভেড়ামারা প্রতিনিধ :কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মা নদীর তলদেশ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত বা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। আজ সোমবার আনুমানিক বেলা ১২টার দিকে উপজেলার বাহিরচর ইউনিয়নের ১২ দাগ এলাকার পুরাতন ফেরিঘাট সংলগ্ন জিকে পাম্প হাউজ এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, ঐতিহ্যবাহী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ, লালন শাহ্ সেতু এবং কুষ্টিয়া-পাবনা মহাসড়কের মাত্র এক কিলোমিটারের মধ্যে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে ফিলিং বালু উত্তোলন করে আসছিল। গুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা ও নদীর তলদেশ রক্ষায় আজ দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ডাঃ গাজী আশিক বাহার,নেতৃত্বে এই বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযানকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ ফোর্সের উপস্থিতি টের পেয়ে বালু উত্তোলনের সাথে জড়িত ব্যক্তিরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। তবে সেখান থেকে বালু বোঝাই ১টি স্টেয়ারিং ট্রলি ও বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়।জব্দকৃত ট্রলি ও অন্যান্য মালামাল বর্তমানে ভেড়ামারা থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে প্রশাসন নিশ্চিত করেছে।স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও পরিবেশ রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

কুষ্টিয়ায় সরকারি গাড়ি নিয়ে গরু কিনতে পশুহাটে ইউএনও

প্রকাশিতঃ মে ২৫, ২০২৬ | ১:৪১ অপরাহ্ণ

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরাফাত আমান আজিজের বিরুদ্ধে সরকারি গাড়ি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২৩ মে) সন্ধ্যায় তিনি সরকারি গাড়ি নিয়ে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার আলামপুর পশুর হাটে গরু কিনতে যান বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, ইউএনওর সঙ্গে উপজেলা প্রশাসনের কয়েকজন কর্মচারী ও আনসার সদস্যরাও এসময় উপস্থিত ছিলেন। তারা হাটে ঘুরে ঘুরে গরু দেখছিলেন এবং ব্যবসায়ীদের সঙ্গে দরদাম করছিলেন। এসময় সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন তারা। ইউএনওর সরকারি গাড়ির চালক তরিকুল ইসলাম বলেন, “ইউএনও গরু কিনতেই হাটে এসেছি। গরু পছন্দ করতেই হাটে ঘুরছি।” তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মিরপুর ইউএনও আরাফাত আমান আজিজ বলেন, “শহরে এসে হঠাৎ গরুর হাটে ঘুরতে এসেছিলাম।”