ভেড়ামারা প্রতিনিধ প্রতিনিধি, ভেড়ামারা :কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় বাড়ির আঙিনায় পড়ে থাকা পরিত্যক্ত জমিতে বস্তায় আদা চাষ করে সফলতার স্বপ্ন দেখছেন কৃষক নাহারুল ইসলাম। যশোর অঞ্চলে টেকসই কৃষি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় উপজেলা কৃষি অফিসের সহায়তায় তিনি এই ভিন্নধর্মী চাষ শুরু করেছেন।
নাহারুল ইসলাম ভেড়ামারা উপজেলার ধরমপুর ইউনিয়নের কাজীহাটা ব্লকের স্বরূপের ঘোপ এলাকার জান মোহাম্মদের ছেলে। তিনি চলতি বছর বাড়ির আঙিনার আলো-ছায়াযুক্ত পরিত্যক্ত জায়গায় ৩০০টি বস্তায় ‘বারি আদা-২’ জাতের আদা রোপণ করেছেন। এতে তার বড় অঙ্কের আয়ের আশা রয়েছে।
কৃষক নাহারুল ইসলাম বলেন, ‘আগে আমাদের এলাকায় এভাবে আদা চাষের চল ছিল না। কৃষি অফিসের প্রশিক্ষণ নিয়ে আমি পরিত্যক্ত ৩০০টি সিমেন্টের বস্তায় আদা চাষ শুরু করেছি। প্রতি বস্তায় খরচ হয়েছে মাত্র ৩০ থেকে ৩৫ টাকা। আশা করছি প্রতি বস্তায় ৮০০ গ্রাম থেকে এক কেজি পর্যন্ত ফলন পাব।’
উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সদরুল ইসলাম জানান, আদা চাষ সম্প্রসারণে তারা মাঠপর্যায়ে কৃষকদের কারিগরি সহায়তা দিচ্ছেন। ৫০ গ্রামের একটি আদা রোপণ করে এক কেজি পর্যন্ত ফলন পাওয়া সম্ভব, যা কৃষকের পারিবারিক চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বাড়তি আয় নিশ্চিত করে।
ভেড়ামারা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদা সুলতানা পলি বলেন, ‘প্রদর্শনী প্লটের জন্য আমরা কৃষকদের বিনামূল্যে বস্তা, বীজ, সার ও কীটনাশক দিয়েছি। যারা নিজ উদ্যোগে চাষ করছেন, তাদেরও নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।’
কুষ্টিয়া টাইম :কুষ্টিয়া ভেড়ামারা উপজেলার স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের অভিমুখে বিশ্বাস ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অদ্য (২৫জুন’ ২৬) বৃহষ্পতিবার ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ডা. গাজী আশিক বাহার।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, আলাউদ্দিন (৭৪) নামক ব্যক্তিকে সরবরাহকৃত \"Serological Test Report\" (Patient ID-BDC-1933) -এ কোন উপযুক্ত যোগ্যতাসম্পন্ন এম.বি.বি,এস চিকিৎসক এর স্বাক্ষর ও সিলমোহর ব্যতীত এবং মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (প্যাথলজি) এর দ্বারা স্বাক্ষর ও সিলমোহর ব্যতীত টেস্ট রিপোর্ট সরবরাহের অপরাধ করেছেন। উল্লিখিত টেস্ট এর জন্য প্রতিষ্ঠান টাকা নিলেও প্রতিশ্রুতি সেবা যথাযথভাবে সরবরাহ না করার অপরাধ করেছেন এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ধারা ৪৫ লঙ্ঘনের অপরাধ করছেন, বিধায় জগলুর রহমান লিটন (৬০), পিতা-মৃত: নাদের আলী বিশ্বাস, সাং-বাহিরচর ১৬দাগ, ভেড়ামারা, কুষ্টিয়ার বিশ্বাস ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ১৫,০০০/- হাজার টাকা অর্থদন্ড করা হয়।
বিশ্বাস ডায়াগনস্টিক সেন্টা’র অভ্যন্তরিন সরঞ্জামাদির বেহাল অবস্থা ও উক্ত প্রতিষ্ঠানে কর্তব্যরত কোন স্টাফ না থাকায় এবং লাইসেন্স এর নবায়ন না থাকায়, ভ্রাম্যমান আদালত আপতত উক্ত প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করেন। সমস্থ কাগজপত্রাদিসহ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে যোগাযোগের পর, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশক্রমে উক্ত প্রতিষ্ঠান খোলার নির্দেশ প্রদান করেন।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ডা. গাজী আশিক বাহার মহোদয় জানান, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা পৌর শহরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি উৎপাদন ও বিপণন করার অপরাধে ‘পাবনা সুইটস’ নামের একটি মিষ্টি বিপণন প্রতিষ্ঠানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই অভিযানে শহরের বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকার ফুটপাথ অবৈধ দখলমুক্ত করা হয়েছে।
গতকাল সোমবার (২২ জুন ২০২৬) বিকেলে ভেড়ামারা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এই বিশেষ ভ্রাম্যমাণ আদালত ও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযান সূত্রে জানা গেছে, ভেড়ামারা শহরের পাবনা সুইটসে অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে মিষ্টি তৈরি এবং বিক্রি করা হচ্ছিল। এমন সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে সত্যতা মেলায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে প্রতিষ্ঠানটিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা দণ্ড প্রদান করা হয়। সেই সাথে ভবিষ্যতে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রেখে মিষ্টি উৎপাদন করার বিষয়ে কঠোরভাবে সতর্ক করে দেওয়া হয়।
একই সময়ে শহরের বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন প্রধান সড়কের পাশে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকানপাট ও ফুটপাথ দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। এ সময় ফুটপাথ দখল করে রাখা বেশ কিছু অবৈধ সরঞ্জাম জব্দ করা হয় এবং সাধারণ মানুষের নির্বিঘ্নে চলাচলের জন্য রাস্তা উন্মুক্ত করা হয়।
উপজেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, শহরের বাজার মনিটরিং, ভেজাল প্রতিরোধ এবং জনস্বার্থে উচ্ছেদ ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের এই ধরণের কঠোর ও জনকল্যাণমুখী কার্যক্রম আগামীতেও নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।
কুষ্টিয়া টাইম :সিলেটের ওসমানীনগরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) আপা ডেকে ক্ষমা চাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে এক অভিজাত মিষ্টির শো-রুম কর্মচারীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করার খবর পাওয়া গেছে। অন্যদিকে মিষ্টির শো-রুমে জরিমানা করায় ওই কর্মচারীকে চাকরি থেকে বহিষ্কার করা হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় সংসদ সদস্যের হস্তক্ষেপে তার চাকরি বহাল রাখা হলেও তাকে শো-রুম থেকে কারখানায় স্থানান্তর করা হয়েছে।
বালাগঞ্জের ইউএনও তাজপুর বাজারস্থ বনফুল শো-রুম থেকে মিষ্টি কিনে নেন। বাসায় নেওয়ার পর তিনি দেখতে পান মিষ্টিগুলো পুরাতন। পরে বিষয়টি তিনি ওসমানীনগরের ইউএনওকে জানান।
ঈদের পরদিন শুক্রবার বিকেলে ওসমানীনগর ইউএনও একা সাধারণ ক্রেতা হিসেবে তাজপুর বাজারের বনফুল শো-রুমে যান। এ সময় তিনি কর্মচারী মান্নানকে জিজ্ঞেস করেন, এই মিষ্টিগুলো কি নতুন? কর্মচারী মান্নান জানান, ড্রাই মিষ্টিগুলো ঈদের আগের এবং নরমাল মিষ্টিগুলো আজকের।
এরপর ইউএনও বলেন, তোমরা মানুষকে বাসি মিষ্টি দাও, আমার কাছে অভিযোগ আছে। তখন কর্মচারী মান্নান বিষয়টি ম্যানেজারকে জানাতে বলেন। এতে তাৎক্ষণিকভাবে ইউএনও উত্তেজিত হয়ে বলেন, ‘তুমি বেয়াদবি করছো, চেনো আমি কে? আমি ইউএনও, আমি তোমাকে জেলে দেবো!’ এ কথা শুনে কর্মচারী মান্নান ভয়ে শো-রুম থেকে চলে যান।
পরে শো-রুমের প্রধান ম্যানেজার সুহেল বড়ুয়া এসে বিষয়টি জেনে ইউএনওকে শান্ত করেন এবং কর্মচারী মান্নানকে আনতে বাসায় লোক পাঠান। বাসায় গিয়ে দেখা যায়, তিনি মসজিদে নামাজে গেছেন। পরে তাকে মসজিদে খবর পাঠানো হয়। এ সময় সহকারী ম্যানেজার ক্যাশ টেবিলে চেয়ারে বসে কথা বলছিলেন। তখন ইউএনও রেগে গিয়ে প্রধান ম্যানেজারকে বলেন, ‘এইটাও বেয়াদব, চেয়ারে বসে কথা বলছে।’
এরপর ম্যানেজার ইউএনওর কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন। পরে কর্মচারী মান্নানকে আনা হলে ম্যানেজার তাকে ইউএনওর কাছে ক্ষমা চাইতে বলেন। মান্নান তখন বলেন,‘ আপা, ভুল হয়েছে, আমাকে মাফ করে দেন।’ এতে ইউএনও আরও ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশ ডেকে মান্নানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। বিষয়টি বনফুল কর্তৃপক্ষ জানার পর মান্নানকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
সোমবার দুপুরে স্থানীয় সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর লুনা উপজেলা পরিষদে এলে কর্মচারী মান্নান তার দ্বারস্থ হন। পরে এমপি লুনা তার চাকরি বহাল রাখতে স্থানীয় বিএনপির দুই নেতাকে বনফুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের দায়িত্ব দেন। বর্তমানে মান্নানকে সিলেট নগরীর খাদিম বিসিক শিল্প এলাকায় বনফুলের কারখানায় বদলি করা হয়েছে।
বনফুল শো-রুম কর্মচারী মান্নান জানান, তিনি সাধারণ ক্রেতা হিসেবে শো-রুমে এসে মিষ্টিগুলো বাসি কি না জানতে চান। তখন তিনি বলেন, ড্রাই মিষ্টি এক-দুই দিন আগের এবং নরমাল মিষ্টি নতুন। পরে ইউএনও অভিযোগ করেন, বাসি মিষ্টি দেওয়া হয়েছে এবং তার কাছে আরও অভিযোগ রয়েছে। এরপর তিনি ক্যাশে ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলতে বলেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ইউএনও তাকে জেল দেওয়ার হুমকি দেন। পরে তিনি ভয়ে পালিয়ে যান। পরে ম্যানেজারের নির্দেশে ক্ষমা চাইতে গিয়ে তিনি ‘আপা আমাকে ক্ষমা করে দেন বলেন। এতে ইউএনও আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন বলে দাবি করেন তিনি।
ম্যানেজার সুহেল বড়ুয়া বলেন, কর্মচারী মান্নান ইউএনওকে না চিনে গুরুত্ব দেয়নি। তাই তাকে ক্ষমা চাইতে বলা হয়। পরে তিনি ‘আপা ক্ষমা করে দেন’ বলেন। এরপরই ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
তিনি আরও বলেন, বাসি মিষ্টি বিক্রি বিষয়ে অভিযোগ প্রসঙ্গে, ড্রাই মিষ্টি এক-দুই দিন আগের থাকতে পারে এবং নরমাল মিষ্টি সাধারণত নতুন থাকে। গরমে কোনো পণ্য নষ্ট হলে তা সঙ্গে সঙ্গে আলাদা করে দেওয়া হয়।
ওসমানীনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস টি এম ফখর উদ্দিন বলেন, ভুক্তভোগী ব্যক্তি বিষয়টি নিয়ে সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর লুনার কাছে গিয়েছিলেন। এমপি উভয়পক্ষের বক্তব্য শুনেছেন। তবে ঘটনার বিস্তারিত জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা প্রয়োজন।
বালাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান বলেন, ‘আমি বা আমার কোনো স্টাফ হয়তো মিষ্টি কিনতে পারি। ওসমানীনগর ইউএনও আমার সহকর্মী। তিনি আপা ডাকার জন্য জরিমানা করতে পারেন না। হয়তো ক্রেতা হিসেবে গিয়ে কোনো সমস্যা পেয়ে জরিমানা করেছেন। বিচারকার্য পরিচালনার সময় পক্ষপাত এড়াতে ইউএনও বলাই ভালো।’
এ বিষয়ে ওসমানীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনমুন নাহার আশার সরকারি মোবাইল নম্বরে, হোয়াটসঅ্যাপে ও টেলিফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম বলেন, ‘বিষয়টি সম্পর্কে জানা নেই। জেনে বলতে হবে।’
সিলেটের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আশরাফুর রহমান বলেন, ‘এ বিষয়ে জানি না। তিনি কেন এটি করেছেন, সেটি জানতে হবে।’
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:কুষ্টিয়ার মিরপুরে সেনাসদস্যদের বহনকারী বাসের সঙ্গে যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক বাসযাত্রী নিহত হয়েছেন। এতে সেনা সদস্যসহ অন্তত ৬০ জন আহত হয়েছেন। নিহত বাসযাত্রীর নাম জিয়া বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তিনি ব্র্যাক ব্যাংকে চাকরি করেন। তার বাড়ি ময়মনসিংহ জেলায়।
রোববার (৩১ মে) দুপুর ১২টার দিকে পাবনা-কুষ্টিয়া মহাসড়কে উপজেলার তালবাড়িয়া হাইস্কুলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী পুলিশ ও আহতরা জানান, একটি ভাড়া করা বাসে প্রশিক্ষণরত সেনাসদস্যরা বগুড়া থেকে খুলনা যাচ্ছিলেন। ঘটনাস্থলে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা হিমেল পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে সেনাসদস্যদের বহনকারী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এরপর স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে দুর্ঘটনায় আহতদের কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে আহত একজনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নিহতের নাম জিয়া। তার বাড়ি ময়মনসিংহ জেলায়। তিনি ব্র্যাক ব্যাংকে চাকরি করেন।
আহত সেনা সদস্যরা জানান, তারা বর্তমানে সেনাবাহিনীতে প্রশিক্ষণরত অবস্থায় রয়েছেন। ঈদুল আযহার ছুটিতে তারা বাড়িতে গিয়েছিলেন। ছুটি শেষে তারা একটি ভাড়া করা বাসে করে খুলনার জাহানাবাদ সেনানিবাসে ফিরছিলেন। ওই বাসে তারা মোট ৪২ জন সেনাসদস্য ছিলেন। পথে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তাদের বহনকারী বাস। এতে তারা কমবেশি সবাই আহত হয়েছেন। সেনা সদস্যদের অন্তত ১০ জনকে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কেউ কেউ প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।
খবর পেয়ে আহতদের কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে দেখতে যান কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার (এসপি) জসীম উদ্দীন। তিনি এসময় জানান, সেনাসদস্যরা নতুন রিক্রুট, তারা প্রশিক্ষণে রয়েছেন। দুর্ঘটনার বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
কুষ্টিয়া টাইম :ভেড়ামারা থেকে ঢাকা যাত্রীবাহী বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অপরাধে দু\'টি পরিবহনকে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
শনিবার (৩০ মে\'২৬) দুপুর ১ ঘটিকার সময় ভেড়ামারা কোচ স্ট্যান্ড এলাকায় বিভিন্ন কাউন্টারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: আমিরুল আরাফাত মহোদয় অভিযান পরিচালনা করেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, অভিযানে এসবি কাউন্টারকে ৫ হাজার ও হানিফ কাউন্টারকে ৫ হাজার করে মোট দু\'টি পরিবহনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগে সড়ক পরিবহন আইন এ জরিমানা আদায় করা হয়।
ইউএনও মো: আমিরুল আরাফাত জানান, যাত্রীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কোনো সুযোগ নেই। ভোক্তা অধিকার ও আইন রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। কেউ অনিয়ম করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীর গাবতলী পশুরহাটে কুষ্টিয়া থেকে গরু বিক্রি করতে গিয়ে ছিলেন কুমারখালী উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের উত্তর মীরপুর এলাকার ব্যবসায়ী মো.মোফাজ্জল হোসেন(মফে)।
আজ ভোরে তিনি গাবতলী পশুর হাট থেকে নিখোঁজ হয়েছেন। হাটে মাংকি ও বিভিন্ন স্থানে খোজাখুজি করেও তার সন্ধান পাওয়া যাইনি।
যদি কেও চিনে থাকেন এই নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হইলো।
01766-368864
শিমুল।
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি : জেলার ভেড়ামারা উপজেলায় ১২ বছর বয়সি এক শিশুকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে তার সৎ নানার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সৎ নানা সাহাবুল হোসেনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।
মঙ্গলবার (২৬ মে) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার নওদাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটি আগের দিন রাতে নানির বাড়িতে বেড়াতে আসে। সকালে সৎ নানা সাহাবুল হোসেন পা টিপে দেওয়ার কথা বলে শিশুটিকে নিজ ঘরে ডেকে নেন। সেখানে তিনি শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে শিশুটি কান্নাকাটি করতে করতে ঘর থেকে বের হলে বিষয়টি পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের নজরে আসে। খবর পেয়ে এলাকাবাসী অভিযুক্তকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। ভেড়ামারা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে হেফাজতে নেয়।
এ বিষয়ে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেলোয়ার হোসেন জানান, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। অভিযুক্তকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং ঘটনাটি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হবে।